ব্রেকিং নিউজ:

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত সামগ্রীতে ক্যান্সারের বিচরণ!

সবসময় প্রতিবেদকঃ ২০১৫-০৬-২৫ ১৭:২০:১৮

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকেও শরীরে প্রবেশ করতে পারে ক্যান্সারের মতো মারণরোগ। দাবি নয়, সমীক্ষা করে প্রমাণ করে দিয়েছেন ২৮টি দেশের ১৭৪ বিশেষজ্ঞরা।

সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, রোজ যে সব জিনিস নিয়ে আমাদের বসবাস, সেইসব জিনিসপত্রেই লুকিয়ে রয়েছে ক্যান্সারের বীজ। যেমন, পলিকার্বোনেট জাতীয় জিনিস (পানির বোতল, ফুড কন্টেনার) হ্যান্ডওয়াশ, প্রশাধনী, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র (যেমন, জ্বর-জ্বালার ট্যাবলেট), ওষুধের প্লাস্টিক বোতল, পোকামাকড় মারার ওষুধ, আগুন নিরোধক রঙ, বাড়ি তৈরির সমস্ত জিনিস ( ইট, সিমেন্ট, লোহার রড ইত্যাদি), কার্পেট, স্টেইন যুক্ত জামাকাপড় ইত্যাদি।

রোজকার ব্যবহৃত ১১টি জিনিসের মধ্যে ৮৫ রকমের রাসায়নিক পদার্থ মিলেছে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সব রাসায়নিক পদার্থ খুব ধীর গতিতে মারণ রোগের দিকে নিয়ে যায়। যা বিজ্ঞানীরা একে ক্যান্সারের হলমার্ক নামে চিহ্ণিত করেছেন।

লন্ডনের ব্রুনেল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হেমাদ ইয়াসাই বলেছেন, এটা একটি বিরাট সমীক্ষা। আমাদের প্রয়োজনীয় এমন সব জিনিসপত্র থেকে দূরে থাকতে হবে, যা ক্যান্সারের মতো মারণরোগ দেহে প্রবেশ করতে পারে। কিছু চিহ্ণিত করা গেছে, যা আমাদের রোজকার ব্যবহার হয়। বিশেষত প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস। যা মানব শরীরের জন্য খুবই মারাত্মক। আমরা এখনো এই সমীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছি।

পরীক্ষা করে দেখা গেছে, নিত্য প্রয়োজনীয় যে সব জিনিসপত্র ( ক্যান্সারের হলমার্ক) থেকে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে, তা শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে অজান্তেই। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে এক জার্নাল প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, রাসায়নিক পদার্থগুলো দেহের মধ্যে প্রবেশ করার পরই মেটাবলিজমের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, ক্যান্সার কোষগুলো বৃদ্ধি পায়। ধীর গতিতে ক্যান্সার দেহের মধ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে সবার মধ্যেই। কারণ, সবার বাড়িতেই এই সমস্ত দরকারি জিনিস কাজে লাগে।


এই বিভাগের আরও সংবাদ