ব্রেকিং নিউজ:

বৈশাখী উৎসবে বৈশাখী সাজ -৪র্থ পর্ব

সবসময় ডেস্কঃ ২০১৬-০৪-১২ ১১:০৬:২৪

একমাত্র বৈশাখের উৎসবকে আমরা বাঙালির উৎসব বলতে পারি। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব বাঙালি এই উৎসব পালন করে। তাই এর রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য। সর্বোপরি বৈশাখের উৎসব বাঙালির সর্বজনীন সামাজিক অনুষ্ঠান। তাই এই উৎসবে মানুষ মনের মাধুরী মিশিয়ে বৈশাখের রঙে নিজেদের রাঙায়। আপনাদের প্রয়োজনীয়তা ও পছন্দ মাথায় রেখে বৈশাখের সাজ-পোশাক নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজকের পর্বে রয়েছে একটি পরিপূর্ণ বৈশাখী সাজের সম্পূর্ণ নির্দেশনা।

সাজ মানেই নিজেকে কীভাবে আরো সুন্দর করে সাজানো যায়। মাথার চুল থেকে পা পর্যন্ত থাকে সাজসজ্জা। বৈশাখ তার সঙ্গে করে নিয়ে আসে প্রচণ্ড গরম। তাই বলে তো জীবনযাত্রা থেমে থাকবে না। বৈশাখকে ঘিরে নিজেদের এমন প্রচেষ্টা থাকবে যাতে বৈশাখকে আমরা আরামদায়ক করতে পারি।

এবার আসা যাক, পয়লা বৈশাখের উৎসবে আমরা কীভাবে নিজেদের সাজাবো।

পোশাক-পরিচ্ছদঃ

সাজ মানেই পোশাক-আশাক। যেকোনো উৎসবেই বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি। বৈশাখে সুতি শাড়িই বেছে নেওয়া ভালো। এক সময় সবাই সাদা-লাল পাড়ের শাড়ি বেছে নিত, কিন্তু এখন নানা রঙের শাড়ি চলছে বৈশাখে। বৈশাখের চিরায়ত রঙ লাল, হলুদ, কমলা, নীল, সবুজ, বেগুনি বা যেকোনো হাল্কা রঙের শাড়ি। একরঙা কমলা সুতি শাড়িতে হলুদ চিকন পাড় ভালো লাগে। গরমকালে থ্রি কোয়ার্টার বা স্লিভলেস ব্লাউজ পরতে পারেন। গাঢ় সবুজ রঙের শাড়ির সঙ্গে হলুদ বা কমলা বাটিকের ব্লাউজ পরতে পারেন।

আজকাল অনেকেই শাড়ির বদলে সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া পরতে পছন্দ করে। সেক্ষেত্রে জিন্সের সঙ্গে সাদা, লাল বা বিভিন্ন একরঙা ফতুয়া পরতে পারেন।

গয়নাগাটিঃ

পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না না হলে কেমন অসম্পূর্ণ মনে হয়। তাই বেছে নিতে পারেন নানা ধরনের গয়না। বৈশাখে মাটির গয়না না হলে কি চলে? তাঁতের শাড়ির সঙ্গে বাহারি মাটির গয়না তা হোক লম্বা  মাটির মালা বেশ মানিয়ে যায়। আজকাল কাঠ, সিরামিক, অক্সিডাইজ, রূপা, মেটাল, কাঠের পুঁতি বা তামার মালা পরতে পারেন। আজকাল বিশেষ দিনগুলোতে ফুলের মালা বেশ চলছে।

চুড়িঃ

বাঙালি নারীর হাত ভর্তি চুড়ি থাকা এক ঐতিহ্য। দুহাত ভর্তি চুড়ি থাকলে এমনিই বুকের ভিতর রিনিঝিনি, সারাশরীরে একটা লাজুক লাজুক আভার নরম আবরণ দেখতে বেশ লাগে। বৈশাখের সাজে চুড়ি থাকবে না তা কি হয়? শাড়ির পাড়ের সঙ্গে মিলিয়ে রেশমি চুড়ি পরতে পারেন। মাটির বা কাঠের চুড়িও কিন্তু বেশ আরামদায়ক লাগে দেখতে।

চুলের সাজঃ

উৎসবের দিনটিতে চুল কেমন বাঁধবেন তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। এখন যেহেতু গরম কাল তাই যারা চুল ছাড়া রাখতে বিব্রত বোধ করেন তারা চুল বেণী বা খোঁপা করে রাখতে পারেন। বেণী বা খোঁপাতে একটি তাজা ফুল গুঁজে নিলে দেখতে ভালো লাগে আর আপনিও থাকবেন ফুলেল সতেজ। যাদের চুল ছোট তারা ভালো করে আঁচড়ে ক্লিপ লাগিয়ে নিন। যারা ঝুটি করতে চান তারা উঁচু করে ঝুটি করে বেঁধে নিন। তবে অবশ্যই আগে চুলের যতেœর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। উৎসবের একদিন আগেই। চুলে তেল মাসাজ করে শ্যাম্পু করে নিন। ঘরোয়া কোনো প্যাক ব্যবহার করতে পারেন এতে চুল হবে আরো ঝলমলে।

টিপঃ

বাঙালি নারীর আরেকটি প্রিয় সাজ হলো টিপ। শাড়ির সঙ্গে টিপ না হলে সাজটিই যেন পূর্ণতা পায় না। শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে টিপ পরতে পারেন। আবার যেকোনো রঙের শাড়ির সঙ্গেই কিন্তু লাল টিপ মানিয়ে যায়।

ব্যাগ ও জুতাঃ

এখন বড় ব্যাগের ফ্যাশন চলছে। শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে ব্যাগ নির্বাচন করুন। কালো, লাল, চকলেট কালার ব্যাগ কিন্তু মানিয়ে যায় সব রঙের শাড়ির সঙ্গে। গরমকাল টুকটাক প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে রাখবেন, যেমন- ছোট ছাতা, পানির বোতল, হাল্কা মেকআপ, রুমাল এইসব।

মেকআপঃ

অনুষঙ্গ তো গেল, এবার মেকআপের  পালা নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মেকআপ তো করতেই হবে। নিজেকে সুন্দর দেখানোর প্রধান করণীয় হলো পরিচ্ছন্ন থাকা। উৎসবের কয়েকদিন আগে থেকেই নিজের ত্বকের যতœ নিতে হবে। পার্লারে গিয়ে ত্বকের সঙ্গে মানানসই ফেসিয়াল করতে পারেন। পেডিকিওর, মেনিকিওর করলে হাত পায়ের যত্নটাও হয়ে গেল।

মেকআপ করার আগে মুখে বরফ টুকরা  ঘষে নিন এতে ঘাম কম হবে। যেহেতু গরমকাল তাই ভারি মেকআপ না করাই ভালো। হাল্কা ফেস পাউডার ব্যবহার করুন। চোখ দুটি সুন্দর করে সাজাতে পারেন। কালো কাজল পরতে পারেন।

চোখের পাপড়ি ঘন দেখানোর জন্য মাশকারা ব্যবহার করতে পারেন। লিপস্টিক দেওয়ার সময় ঠোঁট ভালো করে লিপলাইনার দিয়ে এঁকে নিন। যাদের ঠোঁট চিকন তারা ঠোঁটের পরিধির বাইরে থেকে লাইনার করুন।

ব্যাস হয়ে গেল বৈশাখের টিপটপ পূর্ণ সাজ। বৈশাখের সাজ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আয়জনে এমন আরও কিছু পরিপূর্ণ সাজের ব্রিত্তান্ত আপনাদের জানিয়ে দিব শীঘ্রই। জানার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। বৈশাখী সাজের সবগুলো প্রতিবেদন পড়ুন।

সাজ মানেই নিজেকে কীভাবে আরো সুন্দর করে সাজানো যায়। মাথার চুল থেকে পা পর্যন্ত থাকে সাজসজ্জা। বৈশাখ তার সঙ্গে করে নিয়ে আসে প্রচণ্ড গরম। তাই বলে তো জীবনযাত্রা থেমে থাকবে না। বৈশাখকে ঘিরে নিজেদের এমন প্রচেষ্টা থাকবে যাতে বৈশাখকে আমরা আরামদায়ক করতে পারি।

এবার আসা যাক, পয়লা বৈশাখের উৎসবে আমরা কীভাবে নিজেদের সাজাবো।

পোশাক-পরিচ্ছদঃ

সাজ মানেই পোশাক-আশাক। যেকোনো উৎসবেই বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি। বৈশাখে সুতি শাড়িই বেছে নেওয়া ভালো। এক সময় সবাই সাদা-লাল পাড়ের শাড়ি বেছে নিত, কিন্তু এখন নানা রঙের শাড়ি চলছে বৈশাখে। বৈশাখের চিরায়ত রঙ লাল, হলুদ, কমলা, নীল, সবুজ, বেগুনি বা যেকোনো হাল্কা রঙের শাড়ি। একরঙা কমলা সুতি শাড়িতে হলুদ চিকন পাড় ভালো লাগে। গরমকালে থ্রি কোয়ার্টার বা স্লিভলেস ব্লাউজ পরতে পারেন। গাঢ় সবুজ রঙের শাড়ির সঙ্গে হলুদ বা কমলা বাটিকের ব্লাউজ পরতে পারেন।

আজকাল অনেকেই শাড়ির বদলে সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া পরতে পছন্দ করে। সেক্ষেত্রে জিন্সের সঙ্গে সাদা, লাল বা বিভিন্ন একরঙা ফতুয়া পরতে পারেন।

গয়নাগাটিঃ

পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না না হলে কেমন অসম্পূর্ণ মনে হয়। তাই বেছে নিতে পারেন নানা ধরনের গয়না। বৈশাখে মাটির গয়না না হলে কি চলে? তাঁতের শাড়ির সঙ্গে বাহারি মাটির গয়না তা হোক লম্বা  মাটির মালা বেশ মানিয়ে যায়। আজকাল কাঠ, সিরামিক, অক্সিডাইজ, রূপা, মেটাল, কাঠের পুঁতি বা তামার মালা পরতে পারেন। আজকাল বিশেষ দিনগুলোতে ফুলের মালা বেশ চলছে।

চুড়িঃ

বাঙালি নারীর হাত ভর্তি চুড়ি থাকা এক ঐতিহ্য। দুহাত ভর্তি চুড়ি থাকলে এমনিই বুকের ভিতর রিনিঝিনি, সারাশরীরে একটা লাজুক লাজুক আভার নরম আবরণ দেখতে বেশ লাগে। বৈশাখের সাজে চুড়ি থাকবে না তা কি হয়? শাড়ির পাড়ের সঙ্গে মিলিয়ে রেশমি চুড়ি পরতে পারেন। মাটির বা কাঠের চুড়িও কিন্তু বেশ আরামদায়ক লাগে দেখতে।

চুলের সাজঃ

উৎসবের দিনটিতে চুল কেমন বাঁধবেন তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। এখন যেহেতু গরম কাল তাই যারা চুল ছাড়া রাখতে বিব্রত বোধ করেন তারা চুল বেণী বা খোঁপা করে রাখতে পারেন। বেণী বা খোঁপাতে একটি তাজা ফুল গুঁজে নিলে দেখতে ভালো লাগে আর আপনিও থাকবেন ফুলেল সতেজ। যাদের চুল ছোট তারা ভালো করে আঁচড়ে ক্লিপ লাগিয়ে নিন। যারা ঝুটি করতে চান তারা উঁচু করে ঝুটি করে বেঁধে নিন। তবে অবশ্যই আগে চুলের যতেœর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। উৎসবের একদিন আগেই। চুলে তেল মাসাজ করে শ্যাম্পু করে নিন। ঘরোয়া কোনো প্যাক ব্যবহার করতে পারেন এতে চুল হবে আরো ঝলমলে।

টিপঃ

বাঙালি নারীর আরেকটি প্রিয় সাজ হলো টিপ। শাড়ির সঙ্গে টিপ না হলে সাজটিই যেন পূর্ণতা পায় না। শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে টিপ পরতে পারেন। আবার যেকোনো রঙের শাড়ির সঙ্গেই কিন্তু লাল টিপ মানিয়ে যায়।

ব্যাগ ও জুতাঃ

এখন বড় ব্যাগের ফ্যাশন চলছে। শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে ব্যাগ নির্বাচন করুন। কালো, লাল, চকলেট কালার ব্যাগ কিন্তু মানিয়ে যায় সব রঙের শাড়ির সঙ্গে। গরমকাল টুকটাক প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে রাখবেন, যেমন- ছোট ছাতা, পানির বোতল, হাল্কা মেকআপ, রুমাল এইসব।

মেকআপঃ

অনুষঙ্গ তো গেল, এবার মেকআপের  পালা নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মেকআপ তো করতেই হবে। নিজেকে সুন্দর দেখানোর প্রধান করণীয় হলো পরিচ্ছন্ন থাকা। উৎসবের কয়েকদিন আগে থেকেই নিজের ত্বকের যতœ নিতে হবে। পার্লারে গিয়ে ত্বকের সঙ্গে মানানসই ফেসিয়াল করতে পারেন। পেডিকিওর, মেনিকিওর করলে হাত পায়ের যত্নটাও হয়ে গেল।

মেকআপ করার আগে মুখে বরফ টুকরা  ঘষে নিন এতে ঘাম কম হবে। যেহেতু গরমকাল তাই ভারি মেকআপ না করাই ভালো। হাল্কা ফেস পাউডার ব্যবহার করুন। চোখ দুটি সুন্দর করে সাজাতে পারেন। কালো কাজল পরতে পারেন।

চোখের পাপড়ি ঘন দেখানোর জন্য মাশকারা ব্যবহার করতে পারেন। লিপস্টিক দেওয়ার সময় ঠোঁট ভালো করে লিপলাইনার দিয়ে এঁকে নিন। যাদের ঠোঁট চিকন তারা ঠোঁটের পরিধির বাইরে থেকে লাইনার করুন।

ব্যাস হয়ে গেল বৈশাখের টিপটপ পূর্ণ সাজ। বৈশাখের সাজ নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আয়জনে এমন আরও কিছু পরিপূর্ণ সাজের ব্রিত্তান্ত আপনাদের জানিয়ে দিব শীঘ্রই। জানার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। বৈশাখী সাজের সবগুলো প্রতিবেদন পড়ুন।

শেয়ার করে নিজে যেটা জানলেন বন্ধুদের কেও তা জানতে দিন।

আরও জান্তেঃ রূপচর্চা ও স্বাস্থ্যকথা BeautificatioN & HealtH


এই বিভাগের আরও সংবাদ