সোমবার (৪ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার নন্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ানোর অভিযোগে উঠে তার বিরুদ্ধে।
জানা যায়, এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া বাজার সংলগ্ন নন্দুরা গ্রামে রিপন মিয়া একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন এবং এলাকাতেই থাকেন। এরই মধ্যে একই গ্রামের এক কিশোরীর সঙ্গে রিপন মিয়ার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। সোমবার বিকেলে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা। পরে তাকে আটকে রেখে গ্রাম্য সালিশ শুরু হয়। সালিশে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া তাকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির প্রেক্ষাপট, সালিশে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে কিংবা রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রিপন মিয়া বা তার পরিবারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল-মামুন সরকার বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তদন্ত চলছে। তবে এখনো রিপন মিয়া আটক হননি।
Leave a Reply