রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
www.shobshomoy.com নিউজে আপনাকে স্বাগতম | সবসময় সবার আগে, নির্ভুল ও নিরপেক্ষ সংবাদ। Welcome to www.shobshomoy.com News | Always First with Fast, Accurate & Unbiased News.
শিরোনাম :
সিলেটের জিডিএফ-ডিকেফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ওয়াসিফুরকে সংবর্ধনা প্রদান কানাইঘাট সমিতির উদ্যেগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান কানাইঘাট উপজেলা প্রশাসনের দপ্তর প্রধানদের সাথে এমপি’র মতবিনিময় সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী হয়েও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্যাস কিনছে কাতার গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিলে অংশগ্রহণ, ৩২ জন গ্রেফতার তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শাহবাগ এলাকা থেকে অজ্ঞাত ২ মরদেহ উদ্ধার বিশ্বনাথে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ পেলো নাদিয়াসহ ২৫ জন কানাইঘাটে বিজিবি এ্যাসল্ট মামলায় গ্রেফতার-১ লালাবাজার ইউনিয়ন উন্নয়ন ট্রাস্ট ইউকের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত  কাতার আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সিলেটের দুই হাফেজের অনন্য সাফল্য জালালাবাদ সমাজ উন্নয়ন সংস্থার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলের লক্ষে আলোচনা সভা কানাইঘাট দনা সীমান্তে যুবতী ধর্ষনে আরেকজন গ্রেফতার সিপিএল অভিষেকে মিরাজের তিন উইকেট, গায়ানার জয় র‍্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী চাইনি : শফিকুর রহমান র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি বিল পাস মহাখালীতে পরিবহন শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ বিমান নিয়ে ঝামেলায় নোরা! সরকারি ৬ চাকরিতে বাড়ছে না ভাইভার নম্বর আনচেলত্তির পরিকল্পনায় নতুন ব্রাজিল দেম্বেলের দুই তোরেসের হ্যাট্রিকে পিএসজির গোলবন্যা ‘লজ্জা’য় নতুন নুসরাত ফারিয়া ‘মাননীয়’ বাদ, ডিজিটাল হাজিরায় দাফতরিক নিয়ম মানলেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ডিএমপির ২২০৬ মামলা বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ জৈন্তাপুরে টাস্কফোর্সের অভিযান, ৬ মামলায় ১৮ হাজার টাকা জরিমানা জৈন্তাপুরে পাওনা ৩ হাজার টাকার জেরে বসতঘরের টিন খুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন : সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার, সদস্য-সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ও ফসলি জমি রক্ষায় গোয়াইনঘাটে দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন
চা শ্রমিক ও নৃ-গোষ্ঠীর নারী-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শাবিতে গবেষণা সেমিনার

চা শ্রমিক ও নৃ-গোষ্ঠীর নারী-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শাবিতে গবেষণা সেমিনার

সিলেটের চা শ্রমিক এবং খাসিয়া ও গারো জনগোষ্ঠীর নারী ও কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের নাজুক পরিস্থিতি ও নানাবিধ সামাজিক কুসংস্কারের চিত্র উঠে এসেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক গবেষণায়।

 

বিশ্বব্যাংক ও ইউজিসি অর্থায়নে পরিচালিত হিট উপ-প্রকল্পের অধীনে শাবিপ্রবির শিক্ষকদের পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের ৪০২ নম্বর কক্ষে প্রাথমিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গবেষক দলের তত্বাবধায়ক এবং চা শ্রমিক ও নৃগোষ্ঠীর সদস্যরা।

 

 

গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার এই যুগেও প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীগুলোর মাঝে প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার চরম অভাব এবং গভীর সামাজিক ও ধর্মীয় কুসংস্কার বিদ্যমান।

 

 

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, এই জনগোষ্ঠীর নারী ও কিশোরীদের মাঝে মাসিক বা পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। লোকলজ্জার ভয়ে তারা পিরিয়ড সংক্রান্ত অসুস্থতায় চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। এমনকি মাসিকের সময় প্যাডের পরিবর্তে কাপড় ব্যবহার করলেও তা লোকচক্ষুর আড়ালে রাখতে অন্ধকার ও স্যাঁতস্যাঁতে ঘরে শুকিয়ে পুনরায় ব্যবহার করেন। এতে তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি চরমভাবে বাড়ছে। এছাড়া মাসিকের সময় সৃষ্ট শারীরিক বিভিন্ন জটিলতাকে তারা সাধারণ সমস্যা হিসেবে গণ্য করেন, ফলে বড় ধরনের অসুস্থতাতেও তারা চিকিৎসার প্রয়োজন বোধ করেন না।

 

 

পরিবার পরিকল্পনা ও সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রেও নারীদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের অভাব এই গবেষণায় স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। অল্প বয়সে বিয়ের পর সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বামী এবং বিশেষ করে শাশুড়ির মতামতকেই প্রধান্য দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সন্তান ধারণের জন্য শাশুড়ির পক্ষ থেকে প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয় এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণেও বাধা প্রদান করা হয়। এছাড়া হাসপাতাল ও সিজারিয়ান অপারেশন নিয়ে এক ধরনের অমূলক ভীতি কাজ করে এই জনগোষ্ঠীগুলোর মাঝে। তারা মনে করেন, হাসপাতালে গেলেই চিকিৎসকরা সিজার করবেন। এই ভীতি থেকে তারা বাড়িতেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে সন্তান প্রসব করেন এবং প্রসব-পরবর্তী সময়েও কোনো অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না।

 

 

গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রচলিত ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে না পারলে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের স্বাস্থ্যমান উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বৃদ্ধির ওপর জোর দেন গবেষকরা।

 

 

এটি হিট প্রজেক্টের অধীনে ‘সিলেটের খাসিয়া, গারো এবং চা শ্রমিক সম্প্রদায়ের নারী ও কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নয়ন’ বিষয়ক প্রকল্প।

 

 

জানা যায়, গবেষণাটি বিশ্বব্যাংক ও ইউজিসি অর্থায়নে পরিচালিত হিট উপ-প্রকল্প। উপ-প্রকল্পের ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. ফয়সাল আহমেদ, সহকারী উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক একই বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন ও সদস্য লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী। এ ছাড়াও গবেষণা সহকারী দলে রয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মার্জিয়া সুলতানা পিংকি, আতিয়া শারমিন, রুবেল মিয়া, মরিয়ম আঞ্জুম জেরিন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ময়ূরী দেবনাথ এবং ঝুমা খানম স্মৃতি।

 

 

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2023 shobshomoy.com
Design BY Web Nest BD
shobshomoy.com