এটি অত্যন্ত স্পষ্ট একটি অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও তৎকালীন বিগত সরকার তার সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে এই দুর্বৃত্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। আসামিদের পার পাইয়ে দিতে মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় নানা ধরণের কলাকৌশল ও ফাঁকফোকর ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তারা।
প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও বলেন, এই মামলায় আসামিদের শনাক্তকরণের জন্য কোনো ‘টিআই প্যারেড’ (টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড) করা হয়নি। এছাড়া প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) নানা ধরনের গাফিলতি ও দুর্বলতা খোদ বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেছেন।
বিজ্ঞ পিপি ও এডিশনাল পিপিও মামলার পরতে পরতে রেখে দেওয়া অসংখ্য ফাঁকফোকরের কথা স্বীকার করেছেন। মূলত রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার এবং দুর্বল প্রসিকিউশনের কারণেই আজ আট আসামির মধ্যে চারজন বেকসুর খালাস পেয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধুমাত্র আদালতের বিচক্ষণতা ও শ্রেষ্ঠত্বের (ব্রিলিয়ান্স এবং এক্সিলেন্স) কারণেই আজ প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ডসহ চারজনের সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। তা না হলে যেভাবে মামলাটি সাজানো হয়েছিল, তাতে অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার সব পথই উন্মুক্ত ছিল।
ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের জঘন্য ও লোমহর্ষক অপরাধের ক্ষেত্রে প্রসিকিউশন আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, সেই আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে, কোনো জঘন্য অপরাধী যেন আইনি মারপ্যাঁচে পার পেয়ে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
Leave a Reply