বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন

নোটিশ :
www.shobshomoy.com নিউজে আপনাকে স্বাগতম | সবসময় সবার আগে, নির্ভুল ও নিরপেক্ষ সংবাদ। Welcome to www.shobshomoy.com News | Always First with Fast, Accurate & Unbiased News.
শিরোনাম :
সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের আমির পদে পুনর্নির্বাচিত হাবিব-ফখরুল মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, গ্রেফতার ১ হবিগঞ্জে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার কনডেনসেট চুরি প্রেমের প্রস্তাবের জেরে মহববত আলীকে হত্যা,স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪ সিলেট ও হবিগঞ্জের তিন ইউএনওকে রদবদল সিলেটে পুরাতন যে ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ১৯ সিলেট টেস্ট: আলোকস্বল্পতায় প্রথম দিনের খেলা আগেভাগেই শেষ শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকদের বি রু দ্ধে মা*ম*লা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিলেটে ছু রা হাতে আ ট ক যুবক সিলেটের যে দুই নদীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান আন্তর্জাতিক ফুটবলে পথচলার ইতি টানলেন রোনালদো লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান হলে আমরাই করতাম : মীর শাহে আলম স্পেনে পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের ২ সিনেমা কংগ্রেসের দুই কক্ষ হারিয়ে কি সত্যিই ‘ক্ষমতাহীন’ হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প ‘আমাকে সরাতে গেলে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ধ্বংস হয়ে যাবে’ হরমুজ প্রণালিতে ২ তেলবাহী জাহাজে আগুন, দাবি ইরানের ২০২৭ সালে ঈদুল ফিতরে ৫, আজহায় ৬ দিন ছুটি কপ সম্মেলনে যোগ দিতে ৯ নভেম্বর তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল ডিএমপি ৩১ দফা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিএনপি বদ্ধপরিকর: এমপি আব্দুল মালিক মুসলিম নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন ব্যাটারি চালিত রিক্সা মালিক-শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী গেজেট সংশোধনের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত যোগদানের আগেই সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সংঘাত, ফিরে গেলেন নতুন কর্মকর্তা ঢাকায় ১৪ বছর বয়সী কিশোর নিখোঁজ কানাইঘাটে মোটরসাইকেল চালক মিজানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মৌমি জিপিএ-৫ লাভ করায় সিলেটের জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা হারিছ চৌধুরীর ৭৪তম জন্মদিনে কানাইঘাটে স্বরণসভা ও দোয়া মাহফিল কানাইঘাট সীমান্তে দিলদার নিহতের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের কানাইঘাট সীমান্তে বিজিবির অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ হামিদা ফাউন্ডেশন মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় আবারো শ্রেষ্ট কানাইঘাট প্রি-ক্যাডেট স্কুল
কংগ্রেসের দুই কক্ষ হারিয়ে কি সত্যিই ‘ক্ষমতাহীন’ হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প

কংগ্রেসের দুই কক্ষ হারিয়ে কি সত্যিই ‘ক্ষমতাহীন’ হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে রিপাবলিকান পার্টি। এতে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব অনেকটাই কমে আসবে। তবে নির্বাহী বিভাগের হাতে থাকা বিস্তৃত ক্ষমতা ব্যবহার করে এখনো নিজের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে তার।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট— দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ায় অবশ্য ভিন্ন সুর দেখা গেছে। একদিকে তিনি ফল মেনে নেওয়া এবং ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, তাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতিও দেখিয়েছেন।
মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে পরাজয়ের দায় নিজের ওপর না নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নিজে নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন না বলেই রিপাবলিকানরা হেরেছে। তার দাবি, তিনি প্রার্থী হলে দলটি ‘ব্যাপক ব্যবধানে’ জয়ী হতো।  
নির্বাচনের ফল দেখার সময় হোয়াইট হাউসে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি নির্বাচনের ফল ‘নিঃসন্দেহে মেনে নিতে’ এবং ‘ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে’ প্রস্তুত। তবে এর পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পরিচিত লাল রঙের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ (মাগা) টুপির একটি ছবি প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে স্লোগানের পরিবর্তে লেখা ছিল ‘ভেটো’। কংগ্রেসের পাস করা কোনো আইন আটকে দেওয়ার প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতার দিকেই ইঙ্গিত ছিল তার এই বার্তায়। 
এদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর সমালোচক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে ট্রাম্পকে ইতোমধ্যে ‘লেম ডাক’ বা ক্ষমতার শেষ পর্যায়ে প্রভাব হারাতে থাকা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
‘লেম ডাক’ প্রেসিডেন্ট বলতে কী বোঝায়?
সাধারণত কোনো প্রেসিডেন্টের মেয়াদের শেষ পর্যায়কে ‘লেম ডাক’ সময় বলা হয়। বিশেষ করে উত্তরসূরি নির্বাচিত হওয়ার পর বর্তমান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছাড়ার আগ পর্যন্ত সময়কে এ নামে অভিহিত করা হয়। এ সময়ে মেয়াদের বাকি সময় সীমিত থাকায় বিদায়ী রাজনীতিকের প্রভাব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায় বলে মনে করা হয়। 
তবে বর্তমানে কোনো রাজনীতিকের ক্ষমতা ছাড়ার সময় ঘনিয়ে আসার কারণে নীতিনির্ধারণে তার প্রভাব কমে যাওয়ার দীর্ঘ সময়কেও ‘লেম ডাক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
রিপাবলিকান পার্টি এবং কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকায় এত দিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণয়নের এজেন্ডায় ট্রাম্পের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। কিন্তু এখন কংগ্রেসের দুই কক্ষের নেতৃত্ব ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে যাওয়ায় আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তার সেই প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। 
এ ছাড়া ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার নির্ধারিত সময় ২০২৯ সালের জানুয়ারি। অর্থাৎ তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র দুই বছর বাকি। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়কে ট্রাম্পের নীতির প্রতি ভোটারদের অনাস্থা হিসেবেও দেখছেন অনেকে। ফলে নিজের দলের আইনপ্রণেতাদের তার নীতির পক্ষে ধরে রাখার সক্ষমতাও কমতে পারে।
এসব কারণে মেয়াদের আরও দুই বছর বাকি থাকতেই ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের ‘লেম ডাক’ পর্যায়ে প্রবেশ করছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।
তবে ‘লেম ডাক’ প্রেসিডেন্টকে সাধারণত দুর্বল বা অকার্যকর হিসেবে দেখা হলেও ইতিহাস বলছে, নিজের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাঁদের ক্ষমতা একেবারে শেষ হয়ে যায় না।
ট্রাম্পের হাতে এখনো কী কী ক্ষমতা রয়েছে?
যুক্তরাষ্ট্রে এখন বিভক্ত সরকারব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে। কংগ্রেসে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রভাব কমলেও নির্বাহী বিভাগের প্রধান হিসেবে ট্রাম্পের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা থাকছে। 
অতীতে কংগ্রেসে আইন পাসের ক্ষেত্রে অচলাবস্থা তৈরি হলে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প। এতে আইনসভার নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই হোয়াইট হাউসের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার সুযোগ তৈরি হয়। 
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে কংগ্রেস ট্রাম্পের চাহিদার তুলনায় অনেক কম অর্থ বরাদ্দ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্প জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার অন্য খাত থেকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি।
কোনো প্রেসিডেন্ট জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে কংগ্রেস যৌথ প্রস্তাবের মাধ্যমে তা বাতিল করতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট সেই প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারেন।
প্রেসিডেন্টের ভেটো বাতিল করতে হলে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। এককভাবে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সম্ভব নয়।
ফলে সামনে কংগ্রেসের সঙ্গে বিরোধের ক্ষেত্রে ভেটো ক্ষমতা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে পারেন ট্রাম্প।
মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ডেমোক্র্যাটদের আনা সব ‘উন্মাদনাপূর্ণ’ বিলে তিনি ভেটো দেবেন। ট্রাম্পের ভাষায়, কয়েক মাস ভেটো দেওয়ার পর তারা বাইরে এসে বলবে, কীভাবে এসব কাজ এগিয়ে নেওয়া যায়? তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’
অতীতের ‘লেম ডাক’ প্রেসিডেন্টরা কি সফল হয়েছেন? 
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে মেয়াদের শেষ পর্যায়ে থেকেও বেশ কয়েকজন প্রেসিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছেন। তবে এ সময় তারা সাধারণত এমন বিষয়গুলোতে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন, যেগুলোতে নির্বাহী বিভাগের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) সেন্টার অন ইউএস পলিটিকসের গবেষক জেমস বয়েজ আলজাজিরাকে বলেন, রিপাবলিকান পার্টির জন্য নির্বাচনের ফল ক্ষতিকর হলেও অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। 
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রেসিডেন্টকে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষমতা দিয়েছে। তাই ট্রাম্পের ক্ষমতার বাকি সময়ের বড় একটি অংশ এই খাতেই ব্যয় হবে বলে ধারণা করা যায়। 
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসেও এমন নজির রয়েছে। 
২০১৪ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের কাছে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি চূড়ান্ত করেন। জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) নামে পরিচিত এই চুক্তির পাশাপাশি কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগও নেন তিনি। 
নিজের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে ওবামা তার বিতর্কিত স্বাস্থ্যসেবা আইন ‘অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ (এসিএ) বহাল রাখতেও সক্ষম হন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনও ক্ষমতার শেষ কয়েক মাস পররাষ্ট্রনীতিতে মনোযোগ দেন। ২০০০ সালে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ক্যাম্প ডেভিড সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত আলোচনা সফল হয়নি।
এ ছাড়া নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে ৫ কোটি ৮৫ লাখ একর বনভূমি সংরক্ষণ, নির্ধারিত ফেডারেল এলাকায় বড় পরিসরে খনন ও গাছ কাটা সীমিত করা এবং পানির উৎস সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন ক্লিনটন। 
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দেওয়ার পর সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও ‘লেম ডাক’ পর্যায়ে প্রবেশ করেন। ক্ষমতার শেষ দিনগুলোতে তিনি ছেলে হান্টার বাইডেনকে ব্যাপক পরিসরে ক্ষমা করেন। পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধেও সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ থেকে সুরক্ষা দিতে আগাম ক্ষমা ঘোষণা করেন। 
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আগের নীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে ইউক্রেনকে রাশিয়ার আরও গভীরে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেন বাইডেন। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় এসে ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ বাতিল করতে পারে— এমন আশঙ্কা থেকে ৬১ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ প্রতিরক্ষা দপ্তরকে দ্রুত ছাড় করার নির্দেশও দেন তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2023 shobshomoy.com
Design BY Web Nest BD
shobshomoy.com