শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
Welcome To Our Website...
শিরোনাম :
সিলেটে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে সাজা বিদ্যুতের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে চায় বিতরণ সংস্থা গোয়াইনঘাটে মানবপাচার চক্রের সদস্যসহ আটক ১৯ সিলেটে ঈদের ছুটিতে টাকা-স্বর্ণ পুলিশের ভল্টে সংরক্ষণ করা যাবে: এসএমপি কমিশনার জাপানে ১,২০০ বছরের পুরোনো ‘চিরন্তন শিখা’ বৌদ্ধ মন্দিরের হলঘর পুড়ে গেছে মোহামেডানকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস টিভিতে আজকের খেলা অস্ট্রেলিয়ার মঞ্চে হেলেন কেলার ৭ মাস বয়সী হাফিজুর এবার চলে গেল সিলেটে যেসব লক্ষণ দেখলে মেয়েশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হবেন ধর্ষণের শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড করার আহ্বান গোলাম পরওয়ারের আজ দেশের যেসব অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত বদলায়নি শ্রমিকের ভাগ্য, রেকর্ড গড়ছে চা শিল্প কৃষ্ণসাগরে ব্রিটিশ নজরদারি বিমানকে বাধা দিলো রুশ যুদ্ধবিমান বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর ঘোষণা শুভেন্দুর সিলেটে রেললাইনে মিলল নারীর কাটা ম র দে হ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক আজ এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর পাসপোর্টে আবারও ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্ত পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত আজ বিক্রি হবে ট্রেনের ৩১ মে’র ফিরতি টিকিট আন্তর্জাতিক চা দিবস ও এক নির্মম বাস্তবতা : অবহেলিতই রয়ে গেলেন চায়ের মূল কারিগরেরা গ্রে প্তা র ২ , সিলেটে নি ষি দ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল সাবেক এমপি ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী হাসপাতালে ভর্তি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া ক্যাম্প অনুষ্ঠিত  ইউএনও’র সাথে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের তোড়জোড় ঈদের আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু নিয়ে কড়াকড়িতে হিন্দু খামারিদের ক্ষোভ বেইজিং সফরে পুতিনের ঘন ঘন উপস্থিতি, শি জিনপিংয়ের সময়েই অধিকাংশ সফর সিলেটে হাম উপসর্গে আরেক শিশুর মৃ ত্যু
যেসব লক্ষণ দেখলে মেয়েশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হবেন

যেসব লক্ষণ দেখলে মেয়েশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হবেন

বাংলাদেশে মেয়েশিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ভয়াবহ ঘটনার কারণে পরিবার ও সমাজে এই প্রশ্ন আরও বড় হয়ে উঠেছে— শিশু আসলে কতটা নিরাপদ এবং কোথায় ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
অনেক সময় শিশুরা খুব পরিচিত পরিবেশেও নির্যাতনের শিকার হতে পারে। ছোটবেলায় আত্মীয় বা পরিচিত কারও দ্বারা ঘটে যাওয়া এমন ঘটনা অনেক সময় শিশুর মনে গভীর ভয় ও ট্রমা তৈরি করে, যা তারা বড় হলেও ভুলতে পারে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিশুদের প্রতি সহিংসতার বড় একটি অংশ ঘটে পরিচিত মানুষের মাধ্যমে। অর্থাৎ, অপরিচিত কেউ নয়, বরং আত্মীয়, প্রতিবেশী বা পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ অনেক সময় এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে। এই বাস্তবতায় পরিবারগুলোকে আরও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন।
সম্প্রতি রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে দেখা গেছে, ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরে একটি ফ্ল্যাটে শিশুটিকে প্রথমে টয়লেটে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এরপর গলা কেটে হত্যা করা হয়। তার মাথার অংশটি পাওয়া যায় টয়লেটে এবং শরীরের বাকি অংশ উদ্ধার করা হয় খাটের নিচ থেকে।। এমন ঘটনা মানুষের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, কারণ এটি প্রমাণ করে যে নিরাপদ বলে মনে হওয়া পরিবেশও সবসময় নিরাপদ নয়।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৮৫ শতাংশ শিশুর যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে পরিচিত বা আস্থাভাজন ব্যক্তির দ্বারা। এর মধ্যে বড় একটি অংশ আত্মীয়স্বজন বা পারিবারিক পরিচিতদের মাধ্যমে ঘটে। একই ধরনের প্রবণতা আন্তর্জাতিক গবেষণাতেও দেখা যায়, যেখানে বলা হয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরাধী ভুক্তভোগীর পরিচিত কেউ থাকে।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩৪ শতাংশ ক্ষেত্রে অপরাধী ছিল পরিবারের সদস্য, ৫৯ শতাংশ ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তি, আর মাত্র এক অংশ সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষ। অর্থাৎ অপরাধের বড় অংশই ঘটে পরিচিত পরিবেশের ভেতরে।
এছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক শিশু ও কিশোরী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। ইউনিসেফের মতে, বিশ্বে প্রতি আটজন নারীর একজন ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। কিশোরীদের মধ্যে ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুদের ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হলো তারা অনেক সময় ঘটনা বুঝতে পারে না বা ভয়, লজ্জা, হুমকি কিংবা মানসিক চাপের কারণে কাউকে কিছু বলতে পারে না। ফলে অপরাধী সহজেই সুযোগ পেয়ে যায় এবং ঘটনাটি দীর্ঘ সময় গোপন থাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষকের মতে, শিশুরা অনেক সময় নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করতে পারে না, তাই তারা সহজ নিশানা হয়। অপরাধীরা এই দুর্বলতাকে কাজে লাগায়।
শিশুদের সুরক্ষায় পরিবার কী করতে পারে
এই ধরনের নির্যাতনের ফলে শিশুদের মধ্যে গভীর মানসিক প্রভাব পড়ে। তারা বিষণ্ণ হয়ে যেতে পারে, আত্মবিশ্বাস হারাতে পারে, সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে এবং পড়াশোনায় আগ্রহও হারাতে পারে। অনেক সময় শিশুরা অস্বাভাবিক ভয়, উদ্বেগ, একা থাকতে না চাওয়া বা মানুষের প্রতি অনাস্থার মতো সমস্যায় ভোগে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, এমন অভিজ্ঞতার কারণে শিশুরা দীর্ঘমেয়াদে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারা নিজেদের দোষী ভাবতে শুরু করতে পারে, যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— শিশুকে দোষ না দেওয়া এবং তাকে নিরাপদ ও সমর্থনমূলক পরিবেশ দেওয়া। শিশুর আচরণে পরিবর্তন দেখা দিলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত এবং তার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা প্রয়োজন। প্রয়োজনে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নিতে হবে।
শিশুদের সুরক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, অভিভাবকদের আগেভাগে সচেতন হতে হবে। শিশুকে ছোটবেলা থেকেই শেখাতে হবে কোন স্পর্শ গ্রহণযোগ্য এবং কোনটি নয়। তাকে ভালো স্পর্শ ও খারাপ স্পর্শ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতে হবে।
শিশুকে এটাও শেখাতে হবে যে, কোনো স্পর্শে অস্বস্তি লাগলে সে সঙ্গে সঙ্গে ‘না’ বলতে পারবে এবং দ্রুত বাবা-মা বা বিশ্বাসযোগ্য বড়দের জানাতে পারবে। এছাড়া অপরিচিত বা সন্দেহজনক কারও সঙ্গে একা না যাওয়ার বিষয়েও সতর্ক করা জরুরি।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এসব শিক্ষা ভয় দেখিয়ে নয়, বরং সহজ ও বন্ধুসুলভভাবে দিতে হবে, যাতে শিশু বুঝতে পারে এবং স্বাভাবিকভাবে আত্মরক্ষা করতে শেখে।
বাংলাদেশের আইনে ধর্ষণের শাস্তি কী
মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন, শিশু সুরক্ষায় শুধু পরিবার নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক লজ্জা ও ভবিষ্যৎ ক্ষতির ভয়ে পরিবারগুলো ঘটনা গোপন করে, যা অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে।
আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন রয়েছে, যেখানে ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান আছে। তবে বাস্তবে এই আইনের প্রয়োগ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তদন্ত ধীরগতিতে হয়, চার্জশিট দিতে দেরি হয় এবং বিচার দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে।
শিশু সুরক্ষায় বাংলাদেশে মূলত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইন। এই আইনটি প্রণয়ন করা হয় শিশু ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, বিশেষ করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
২০০০ সালের আগে ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় জরিমানা সবসময় বাধ্যতামূলক ছিল না। কিন্তু নতুন এই আইনে জরিমানা বাধ্যতামূলক করা হয় এবং শাস্তির মাত্রাও আরও কঠোর করা হয়।
আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ধর্ষণ করে বা ধর্ষণের পর এমন কোনো কাজ করে যার ফলে ভুক্তভোগী নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত অর্থদণ্ডও আরোপ করা যায়।
আইনে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো নারী বা শিশুর ক্ষেত্রে সম্মতি ছাড়া, ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয়, তাহলে সেটিও ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হবে। এমনকি শিশুর ক্ষেত্রে বয়স কম হওয়ার কারণে সম্মতি থাকলেও সেটি আইনগতভাবে বৈধ ধরা হয় না।
যদি একাধিক ব্যক্তি মিলে দলগতভাবে কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে এবং এর ফলে ভুক্তভোগী মারা যায় বা গুরুতর আহত হয়, তাহলে সেই দলের প্রতিটি সদস্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। পাশাপাশি অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।
এছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। ধর্ষণের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা বা গুরুতর আঘাত করলে আরও কঠোর শাস্তি প্রযোজ্য হয়।
আইনগত কাঠামো শক্ত হলেও বাস্তবে এর প্রয়োগ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, আইনে যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—যেমন ১৮০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি এবং ৩০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেওয়ার নিয়ম—তা অনেক ক্ষেত্রেই মানা হয় না।
তাদের অভিযোগ, অনেক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। তদন্তে দেরি হয়, চার্জশিট দিতেও সময় বেশি লাগে, ফলে ভুক্তভোগীরা দ্রুত ন্যায়বিচার পান না। অনেক সময় পুলিশের তদন্তেও ঘাটতি থাকে, যা মামলার অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
মানবাধিকারকর্মীরা আরও বলেন, বাস্তবে আইনের সঠিক প্রয়োগে ঘাটতি এবং সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। ফলে আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধীরা অনেক সময় শাস্তি এড়িয়ে যেতে পারে।
আরও একটি বড় সমস্যা হলো সামাজিক বাস্তবতা। অনেক পরিবার এমন ঘটনাকে “লজ্জা” হিসেবে দেখে এবং সমাজের ভয় বা ভবিষ্যৎ ক্ষতির আশঙ্কায় বিষয়টি গোপন করে রাখে। এতে অনেক মামলা সামনে আসে না এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক পরিবার দ্বিতীয়বার সামাজিক বা মানসিক হয়রানির ভয়ে থানায় যেতে অনীহা দেখায়। থানার পরিবেশও অনেক সময় ভুক্তভোগীবান্ধব না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন, শিশু নির্যাতনের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে বিশেষায়িত আদালত, পর্যাপ্ত জনবল এবং উন্নত অবকাঠামো প্রয়োজন। দৃশ্যমান ও দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে অপরাধীদের মধ্যে ভয় তৈরি হবে এবং অপরাধ কমবে।
তাদের মতে, শিশু সুরক্ষা শুধু আইনের বিষয় নয়, এটি একটি সমন্বিত সামাজিক দায়িত্ব। পরিবার, স্কুল, স্থানীয় সমাজ এবং রাষ্ট্র—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি।
গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন এবং নারী অধিকার সংগঠনগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের সক্রিয়তা সচেতনতা বাড়াতে এবং শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2023 shobshomoy.com
Design BY Web Nest BD
shobshomoy.com