রোববার (৩১ জুলাই) শুরু হওয়া সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত তিনজন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ভারত সীমান্তবর্তী সুনসারি জেলার দেওয়ানগঞ্জ শহরে রোববার রাতে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একটি হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং ধর্মীয় পতাকা টানানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
সহিংসতার ঘটনায় রোববার সুনসারি জেলায় গুলিতে দুইজন নিহত হন। পরে বৃহস্পতিবার পার্শ্ববর্তী সিরাহা জেলায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের এসব ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে।
শুক্রবার নতুন করে কোনো সহিংসতার ঘটনা না ঘটলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সুনসারি ও সিরাহার কয়েকটি এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ বহাল রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন
এদিকে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিরল টেলিভিশন ভাষণে দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দেশের ওপর নেমে আসা অস্থিরতার কালো মেঘ দূর করতে সবাইকে সংযম প্রদর্শন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সহিংসতার ঘটনায় সরকার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করবে এবং যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং বৃহস্পতিবার রাতে সুনসারিতে নিহত দুই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সরকার তাদের প্রত্যেক পরিবারকে প্রায় ৬ হাজার ৬৬০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার তার সিরাহা সফর করে তৃতীয় নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
Leave a Reply