সবসময় ডেস্ক ::: সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের নানা অভিযোগ ও বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবেদীনের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তার নিয়োগের বৈধতা, দায়িত্ব পালনের প্রশাসনিক ভিত্তি এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার বিভাগ এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, শুধু নিয়োগ বিতর্কই নয়, সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার কার্যক্রম নিয়েও বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। শাখার একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক নজরদারির অভাবকে কাজে লাগিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র নানা অনিয়মের সুযোগ নিচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি যানবাহন ও অন্যান্য সম্পদের ব্যবহার, জ্বালানি খাতে অসঙ্গতি, শ্রমিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির ঘাটতির কারণে শাখাটির কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্তের ফল প্রকাশ হয়নি।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, সিটি করপোরেশনের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগসংক্রান্ত বিতর্ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। এতে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে এবং জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নেরও অবসান ঘটবে।
এ বিষয়ে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবেদীনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে উনি ফোন রিসিভ করেন নাই।।
Leave a Reply