সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার এবং মারকুলি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমা নদীর কানাইঘাট ও সিলেট সদর পয়েন্টেও পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সতর্কসীমায় পৌঁছেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ছাতকে ১২৫ মিলিমিটার এবং সুনামগঞ্জের লরেরগড়ে ১৫৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতের মেঘালয় ও চেরাপুঞ্জিতেও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মাওকিরওয়াতে ১১৫ মিলিমিটার এবং চেরাপুঞ্জিতে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা ঢল সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানির উচ্চতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি স্টেশনের মধ্যে ৮০টিতেই পানি বাড়ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড নজরদারি জোরদার করেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। তাই নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
Leave a Reply