চেলসির আক্রমণভাগে শুরু থেকেই দারুণ সমন্বয় দেখা যায়। জোয়াও পেদ্রো, কোল পালমার ও মরগান রজার্সের ত্রয়ী ফুলহ্যামের রক্ষণে একের পর এক চাপ তৈরি করে। ম্যাচের প্রথম দুই গোলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পালমার। গোল করেন জোয়াও পেদ্রো ও রজার্স।
পরে নিজেই গোল করে চেলসির জয় নিশ্চিত করেন পালমার। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে জায়গা না পাওয়ার পর মাঠের পারফরম্যান্সে জবাব দেওয়ার সুযোগও কাজে লাগান তিনি।
রজার্সও চেলসিতে অভিষেকেই গোলের দেখা পান। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে ক্লাবে যোগ দেওয়া এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড নতুন দলের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই গোল করেন।
তবে ৩-২ ব্যবধানের জয়টা চেলসির জন্য মোটেও সহজ ছিল না। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ফুলহ্যাম আক্রমণে উঠে চেলসির রক্ষণকে চাপে ফেলেছে। শেষদিকে সমতা ফেরানোর একাধিক সুযোগও পেয়েছিল তারা। ৭৮ মিনিটে অ্যান্টনি রবিনসনের সহজ সুযোগ নষ্ট করা ছিল তাদের অন্যতম বড় ব্যর্থতা।
চেলসির গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজের পারফরম্যান্সও আলোনসোর জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। ম্যাচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করলেও তার কিছু সিদ্ধান্ত ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অন্যদিকে নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে ফুলহ্যামের শুরুটাও আশাব্যঞ্জক। পরাজিত হলেও আক্রমণাত্মক ফুটবলে তারা বেশ কিছু ইতিবাচক দিক দেখিয়েছে। মার্কো সিলভার বিদায়ের পর নতুন কোচের অধীনে দলটি ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত পালমারের নৈপুণ্যেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি। তবে আলোনসোর প্রথম ম্যাচে তিন পয়েন্ট এলেও রক্ষণ ও গোলরক্ষক নিয়ে কাজ করার জায়গা যে কম নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।