মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশের খবরে উদ্বেগ, হতাশা প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) একাংশের সদস্যরা।
তারা বলছেন, মাত্র ২৫টি এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমবাজার পরিচালনা করা হলে আবার ‘নতুন সিন্ডিকেট ও একচেটিয়া ব্যবসার’ সুযোগ তৈরি হবে।
রোববার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বায়রা সদস্যরা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক এমপি ও বায়রার সাবেক সহসভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, সাবেক মহাসচিব এম এ ছালাম, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামসহ একাধিক নেতা এবং সদস্য সই করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোতে অতীতেও সীমিতসংখ্যক সংস্থাকে সুযোগ দেওয়ার কারণে সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, অনিয়ম ও কর্মী শোষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। এর ফলে সাধারণ কর্মীরা যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি প্রায় ২ হাজার ৫০০ লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির বড় একটি অংশ কর্মী পাঠানোর ন্যায্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।
নেপাল ইতিমধ্যে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও দাবি করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারকে ‘সিন্ডিকেটমুক্ত’ রাখতে চারটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয় এতে। দাবিগুলো হল-
২৫ এজেন্সিকেন্দ্রিক ‘সিন্ডিকেট বা একচেটিয়া সুবিধা’ অবিলম্বে বন্ধ করা।
সব বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখা।
সরকার নির্ধারিত যৌক্তিক অভিবাসন ব্যয় নিশ্চিত করা, যাতে কোনো গোষ্ঠী অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে না পারে।
প্রয়োজনে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল-এর মাধ্যমে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করে সমান সুযোগ দেওয়া।
বায়রা নেতারা অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।