গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২০ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে পৌঁছালে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
অনুষ্ঠানের সূচনাতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুসজ্জিত প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত আকর্ষণীয় ও সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং অভিবাদন মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রীয় সালাম গ্রহণ করেন।
এসময় বাহিনীর চৌকস দলগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ গার্ড অব অনার প্রদান করে।
তার এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো গাজীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে অভূতপূর্ব উৎসাহ-উচ্ছ্বাস।
প্রধানমন্ত্রী সমাবেশে বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। এরপর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী গাছা এলাকায় ‘জাতীয় দুর্যোগ ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত এ ধরনের বিশেষায়িত ভবন বাংলাদেশে এটাই প্রথম, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা বলেন, এই সফর শুধু উন্নয়নমূলক কাজে সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর আবেগ ও ইতিহাস। গাজীপুরের মাটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিশুকালের স্মৃতিজড়িত। এ ছাড়া এখানে প্রোথিত রয়েছে তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
সফর প্রসঙ্গে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সিটির রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।
১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে গাজীপুরকে ঢাকা থেকে আলাদা করে ‘মহকুমা’ ঘোষণা করেন এবং নিজে মহকুমা ভবন উদ্বোধন করেন। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় আজ গাজীপুর অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক হাবে পরিণত হয়েছে।
শহিদ জিয়ার সেই ঐতিহাসিক অবদানের কারণে গাজীপুরের মানুষের হৃদয়ে এই পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা রয়েছে। তাই প্রিয় নেতাকে বরণ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সর্বস্তরের জনতা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে গাছা ও সফিপুরসহ পুরো মহানগরীকে নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২০ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে পৌঁছালে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
অনুষ্ঠানের সূচনাতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুসজ্জিত প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত আকর্ষণীয় ও সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং অভিবাদন মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রীয় সালাম গ্রহণ করেন।
এসময় বাহিনীর চৌকস দলগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ গার্ড অব অনার প্রদান করে।
তার এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো গাজীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে অভূতপূর্ব উৎসাহ-উচ্ছ্বাস।
প্রধানমন্ত্রী সমাবেশে বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। এরপর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী গাছা এলাকায় ‘জাতীয় দুর্যোগ ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত এ ধরনের বিশেষায়িত ভবন বাংলাদেশে এটাই প্রথম, যা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা বলেন, এই সফর শুধু উন্নয়নমূলক কাজে সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর আবেগ ও ইতিহাস। গাজীপুরের মাটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিশুকালের স্মৃতিজড়িত। এ ছাড়া এখানে প্রোথিত রয়েছে তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
সফর প্রসঙ্গে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সিটির রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে।
১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে গাজীপুরকে ঢাকা থেকে আলাদা করে ‘মহকুমা’ ঘোষণা করেন এবং নিজে মহকুমা ভবন উদ্বোধন করেন। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় আজ গাজীপুর অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক হাবে পরিণত হয়েছে।
শহিদ জিয়ার সেই ঐতিহাসিক অবদানের কারণে গাজীপুরের মানুষের হৃদয়ে এই পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা রয়েছে। তাই প্রিয় নেতাকে বরণ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সর্বস্তরের জনতা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে গাছা ও সফিপুরসহ পুরো মহানগরীকে নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
Leave a Reply