সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে তামাবিল মহাসড়কের পানিছড়া এলাকায় হরিপুর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন ইয়াকুব আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নুসরাত ঢাকার কদমতলী থানার ১৭৮ পূর্ব ধোলাইপাড় এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল মতিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুসরাত ও তার মা ইতি আক্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে (সিলেট-খ-১২-৫৯৭৮) জাফলংয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে সিলেটগামী একটি গেইটলক বাস (সিলেট-ব-১১-০০১৪) অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে নুসরাত ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত হন তার মা ইতি আক্তার।
পরে স্থানীয়রা আহত ইতি আক্তারকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল কিছুটা ব্যাহত হলেও বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, তামাবিল মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে অনেক যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করছে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে সিলেট-তামাবিল সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া ও দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।