সবসময় ডেস্ক ::: সিএনজিচালিত ফোর-স্ট্রোক অটোরিকশার বর্তমান অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল (Economic Lifespan) ১৫ বছর। ২০০২ সালে পেট্রলচালিত টু-স্ট্রোক অটোরিকশা তুলে দিয়ে যখন সিএনজি অটোরিকশা চালু করা হয়, তখন প্রাথমিকভাবে এর আয়ুষ্কাল ধরা হয়েছিল ৯ বছর।
পরবর্তীতে মালিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বুয়েটের (BUET) বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শ সাপেক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন অধ্যাদেশ ২০১৮ ইং এর আলোকে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে এটিকে সর্বমোট ১৫ বছর নির্ধারণ করা হয়। আয়ুষ্কাল ও সার্বিক পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের মূল নীতিমালায় কোনো সিএনজি অটোরিকশার বয়স ১৫ বছর পূর্ণ হলে সেটির বাণিজ্যিক চলাচলের অনুমতি বা রুট পারমিট আর নবায়ন করা হয় না।
মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়িগুলোকে বিআরটিএ (BRTA) নির্ধারিত ডাম্পিং স্টেশনে এনে স্ক্র্যাপ বা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। এই ধ্বংসকৃত গাড়ির চেসিস ও কাগজপত্রের বিপরীতে মালিকরা নতুন গাড়ি প্রতিস্থাপনের (Replacement) সুযোগ পান। বর্তমানে সরকারের এই নীতিমালার তোয়াক্কা করছেন না সিএনজি অটোরিকশার মালিক বা চালকরা। যার ফলে সিলেট নগরের অন্তত ৫০ টি এলাকায় সড়ক দখল করে গড়ে ওঠেছে মেয়াদোত্তীর্ণ সিএনজি অবৈধ অটোরিকশার স্ট্যান্ড।