কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ
গত ৩১ অক্টোবর কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী সোনাতনপুঞ্জি গ্রামে ভারতীয় চোরাই পণ্যে বহন কাজে ব্যবহৃত টাটা পিকআপের চাকায় পৃষ্ট হয়ে দিলদার হোসেন (১৭) নামের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহতের ভাই লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বাউরভাগ ১ম খন্ড গ্রামের নিজাম উদ্দিনের পুত্র আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় বাউরভাগ ১ম খন্ড গ্রামের আব্দুল মতিনের পুত্র পিকআপ গাড়ী চাপা দিয়ে দিলদার হোসেনকে হত্যাকারী সেবুল আহমদ (২৪), একই গ্রামের ফয়াজ আহমদের পুত্র সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত ভারতীয় চোরাকারবারী মাসুম আহমদ (৩০) ও গাড়ীর মালিক ও চালক জৈন্তাপুর উপজেলার গড়াটিল্লা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র রামিম আহমদ (৩২) কে আসামী করা হয়েছে। থানার মামলা নং- ০২, তারিখ- ০১/১১/২৬ইং। প্ররোচনার মাধ্যমে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাইয়া মৃত্যু ঘটানোর অপরাধে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৯৮/৯৯/১০৫ ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মামলার আসামী সেবুল আহমদ, মাছুম আহমদ ভারতীয় চোরাকারবারী ব্যবসার সাথে জড়িত এবং আসামী রামিম আহমদ তাহার পিকআপ গাড়ী দিয়ে ভারতীয় চোরাই পণ্য পরিবহন করে থাকে।
গত ৩১ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টায় সীমান্তবর্তী সোনাতনপুঞ্জি জলাস ছড়া ব্রীজের উত্তর পাশে কাঁচা রাস্তার পাশে তার ভাই দিলদার হোসেন দাঁড়ানো ছিল। এ সময় আসামী রামিম আহমদের পিকআপ গাড়ীটি মাছুম আহমদের নির্দেশে সেবুল আহমদ চালক না হওয়া সত্তে¡ও পিকআপ গাড়ী বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে ভারতীয় চোরাই মালামালের কাছে নেওয়ার সময় দিলদার হোসেনকে গাড়ী চাপা দিয়ে হত্যা করে।
তবে মামলার আসামীদের এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।